কৃষ্ণসাগরের খুনি চিংড়ি
খুরশীদা রহমান চৈতীএসব চিংড়িকে বলা হয় খুনি চিংড়ি। এরা স্থানীয় বিভিন্ন জাতের চিংড়ি, ছোট ছোট মাছ বা মাছের পোনা ও কীটপতঙ্গের লার্ভা খেয়ে থাকে। আমেরিকার ওয়েলসে এদের পাওয়া গেছে। এদের বৈজ্ঞানিক নাম ডিকোরাগামারুস ভিলোসাস।
এই শিকারি খুনি চিংড়িদের নামে নানা ধরনের কথা রয়েছে। বলা হয় এই চিংড়ির দল যেখানে হানা দেয় সেখানকার প্রাণীকুলের পরিবেশ বদলে দেয়। যারা ওদের শিকার, তাদের বিলুপ্তি যখন তখন হতে পারে বলে মনে করছেন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা। কারণ ইউরোপের অনেক দেশে তাদের এই কুকীর্তি দেখা গেছে। সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজশায়ারে খুনি চিংড়িদের পাওয়া গেছে। ডি ভিলোসাস নামের এসব খুনি চিংড়ির আদি বাসস্থান কৃষ্ণসাগরের পার্শ্ববর্তী তৃণাঞ্চলের জলাশয়। গত দশ বছরে এরা পশ্চিম ইউরোপের অধিকাংশ স্থানজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হানাদার এই চিংড়ি নূ্যনতম ৩ সেন্টিমিটার লম্বা। তবে ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বড় হতে পারে, যার কারণে দেশীয় স্বাদু পানির চিংড়ির তুলনায় এরা আকারে বড় হয়।
খুনি চিংড়ি নামকরণের পেছনে রয়েছে একটি মারাত্মক তথ্য। কারণ খাদ্যের বাইরে গিয়েও তারা হত্যার স্বার্থেই শিকার করতে ছোটে। কিছু কিছু কীট যেমন ড্যামসেনফ্লই এবং য়াটারবোটম্যান এরই মধ্যে ব্রিটেনের জলরাশিতে বিপন্ন প্রাণীতে পরিণত হয়েছে এই খুন চিংড়ির কারণে। কাস্পিয়ান সাগর ও কৃষ্ণসাগরের মধ্যবর্তী অঞ্চল থেকে দানিয়ুব নদী হয়ে এরা পশ্চিম ইউরোপে হানা দেয়। এই খুনি চিংড়িরা ব্রিটেনের জলরাশিতে যে কি বিরূপ প্রভাব ফেলবে তা ভেবে ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা রীতিমতো উদ্বিগ্ন।
এনভায়রনমেন্ট এজেন্সির প্রধান কর্মকর্তা পল নিলস্টার বলেছেন, ব্রিটেনের জলরাশিতে এই চিংড়ি পাওয়া গেছে শুনে আমরা একেবারে মুষড়ে পড়েছি। কারণ স্থানীয় চিংড়িকেই ওরা আক্রমণের প্রধান টার্গেট হিসেবে বেছে নিয়েছে। তবে এরা মানুষের জন্য সরাসরি কোনো হুমকি নয়। খুনি চিংড়ির পিঠে তিনটি স্পাইক আছে যার জন্য ছোট মাছেরা এটিকে খেতে পারে না। কারণ মাছেরা গিলে ফেলতে গেলেই স্পাইকের জন্য মাছের গলায় আটকে যায়। খুনি চিংড়ির ঝাঁক যেখানে হানা দিয়েছে ইতোমধ্যে সেখানে বড় ধরনের পরিবেশগত বিপর্যয় ঘটিয়েছে। যেমন এদের কারণ জীববৈচিত্র্য হ্রাস পেয়েছে এবং স্থানীয় কিছু কিছু প্রজাতির বিলুপ্তি ঘটেছে। পশ্চিম ইউরোপে এরা ব্যাপক পরিসরে ছড়িয়ে পড়লেও উত্তর আমেরিকা থেকে এ ধরনের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এদের দেহ উভয় পাশ থেকে দাবানো বা চেপ্টা। বেশ বক্র আকারের এবং আধা-স্বচ্ছ। শরীরের দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ৩০ সেন্টিমিটার বা ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। অর্থাৎ মিঠা পানির চিংড়ির চেয়ে অপেক্ষাকৃত বড়। শরীরের মধ্যে রয়েছে মাথা, বুক ও পেট। মাথার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সেখানে এক জোড়া চোখ, দুই জোড়া এন্টেনা এবং মুখের অংশবিশেষ রয়েছে। চোয়াল বড় ও বেশ শক্তিশালী যার জন্য এটি শিকারি প্রাণী হওয়ার কার্যকর বৈশিষ্ট্য শারীরিক গঠনসূত্রেই লাভ করেছে। বুকে ৭টি অংশ আছে। প্রতিটি অংশে একজোড়া করে পা। প্রথম দুই জোড়া পা খাবার আঁকড়ে ধরতে সাহায্য করে। এরা শিকারকে কামড়ে কেটে বা ছিঁড়ে ফেলে হত্যা করে। এরা বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে উপনিবেশ গড়ে তোলে এবং তাপমাত্রা, লবণাক্ততা ও অক্সিজেন মাত্রার তারতম্য সত্ত্বেও টিকে থাকতে পারে।
এই শিকারি খুনি চিংড়িদের নামে নানা ধরনের কথা রয়েছে। বলা হয় এই চিংড়ির দল যেখানে হানা দেয় সেখানকার প্রাণীকুলের পরিবেশ বদলে দেয়। যারা ওদের শিকার, তাদের বিলুপ্তি যখন তখন হতে পারে বলে মনে করছেন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা। কারণ ইউরোপের অনেক দেশে তাদের এই কুকীর্তি দেখা গেছে। সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজশায়ারে খুনি চিংড়িদের পাওয়া গেছে। ডি ভিলোসাস নামের এসব খুনি চিংড়ির আদি বাসস্থান কৃষ্ণসাগরের পার্শ্ববর্তী তৃণাঞ্চলের জলাশয়। গত দশ বছরে এরা পশ্চিম ইউরোপের অধিকাংশ স্থানজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হানাদার এই চিংড়ি নূ্যনতম ৩ সেন্টিমিটার লম্বা। তবে ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বড় হতে পারে, যার কারণে দেশীয় স্বাদু পানির চিংড়ির তুলনায় এরা আকারে বড় হয়।
খুনি চিংড়ি নামকরণের পেছনে রয়েছে একটি মারাত্মক তথ্য। কারণ খাদ্যের বাইরে গিয়েও তারা হত্যার স্বার্থেই শিকার করতে ছোটে। কিছু কিছু কীট যেমন ড্যামসেনফ্লই এবং য়াটারবোটম্যান এরই মধ্যে ব্রিটেনের জলরাশিতে বিপন্ন প্রাণীতে পরিণত হয়েছে এই খুন চিংড়ির কারণে। কাস্পিয়ান সাগর ও কৃষ্ণসাগরের মধ্যবর্তী অঞ্চল থেকে দানিয়ুব নদী হয়ে এরা পশ্চিম ইউরোপে হানা দেয়। এই খুনি চিংড়িরা ব্রিটেনের জলরাশিতে যে কি বিরূপ প্রভাব ফেলবে তা ভেবে ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা রীতিমতো উদ্বিগ্ন।
এনভায়রনমেন্ট এজেন্সির প্রধান কর্মকর্তা পল নিলস্টার বলেছেন, ব্রিটেনের জলরাশিতে এই চিংড়ি পাওয়া গেছে শুনে আমরা একেবারে মুষড়ে পড়েছি। কারণ স্থানীয় চিংড়িকেই ওরা আক্রমণের প্রধান টার্গেট হিসেবে বেছে নিয়েছে। তবে এরা মানুষের জন্য সরাসরি কোনো হুমকি নয়। খুনি চিংড়ির পিঠে তিনটি স্পাইক আছে যার জন্য ছোট মাছেরা এটিকে খেতে পারে না। কারণ মাছেরা গিলে ফেলতে গেলেই স্পাইকের জন্য মাছের গলায় আটকে যায়। খুনি চিংড়ির ঝাঁক যেখানে হানা দিয়েছে ইতোমধ্যে সেখানে বড় ধরনের পরিবেশগত বিপর্যয় ঘটিয়েছে। যেমন এদের কারণ জীববৈচিত্র্য হ্রাস পেয়েছে এবং স্থানীয় কিছু কিছু প্রজাতির বিলুপ্তি ঘটেছে। পশ্চিম ইউরোপে এরা ব্যাপক পরিসরে ছড়িয়ে পড়লেও উত্তর আমেরিকা থেকে এ ধরনের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এদের দেহ উভয় পাশ থেকে দাবানো বা চেপ্টা। বেশ বক্র আকারের এবং আধা-স্বচ্ছ। শরীরের দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ৩০ সেন্টিমিটার বা ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। অর্থাৎ মিঠা পানির চিংড়ির চেয়ে অপেক্ষাকৃত বড়। শরীরের মধ্যে রয়েছে মাথা, বুক ও পেট। মাথার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সেখানে এক জোড়া চোখ, দুই জোড়া এন্টেনা এবং মুখের অংশবিশেষ রয়েছে। চোয়াল বড় ও বেশ শক্তিশালী যার জন্য এটি শিকারি প্রাণী হওয়ার কার্যকর বৈশিষ্ট্য শারীরিক গঠনসূত্রেই লাভ করেছে। বুকে ৭টি অংশ আছে। প্রতিটি অংশে একজোড়া করে পা। প্রথম দুই জোড়া পা খাবার আঁকড়ে ধরতে সাহায্য করে। এরা শিকারকে কামড়ে কেটে বা ছিঁড়ে ফেলে হত্যা করে। এরা বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে উপনিবেশ গড়ে তোলে এবং তাপমাত্রা, লবণাক্ততা ও অক্সিজেন মাত্রার তারতম্য সত্ত্বেও টিকে থাকতে পারে।